সবজি কাটতে গিয়ে ছুরিতে হাত কাটা, খেলতে গিয়ে পড়ে হাঁটু ছড়ে যাওয়া বা কাঁচে পা কাটা খুবই সাধারণ ঘটনা। বেশিরভাগ ছোট কাটা ঘরেই সামলানো যায়, যদি সঠিক নিয়ম জানা থাকে।
ধাপ ১: নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন
সম্ভব হলে ডিসপোজেবল গ্লাভস পরুন। না থাকলে সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।
ধাপ ২: রক্ত বন্ধ করুন
- পরিষ্কার গজ বা কাপড় দিয়ে ক্ষতের ওপর সরাসরি চাপ দিন।
- অন্তত ১০ মিনিট একটানা চাপ ধরে রাখুন। বারবার তুলে দেখবেন না।
- কাপড় রক্তে ভিজে গেলে সেটি না সরিয়ে ওপরে আরেকটি কাপড় দিন।
- হাত বা পা কাটলে সম্ভব হলে আহত অংশটি হৃৎপিণ্ডের উচ্চতার ওপরে তুলে রাখুন।
ধাপ ৩: ক্ষত পরিষ্কার করুন
রক্ত বন্ধ হলে পরিষ্কার চলমান পানি দিয়ে ক্ষতটি আলতোভাবে ধুয়ে নিন। ময়লা বা বালি থাকলে পরিষ্কার চিমটা দিয়ে সাবধানে সরান। এরপর ক্ষতের চারপাশে অ্যান্টিসেপটিক লাগান।
ধাপ ৪: ক্ষত ঢেকে দিন
ছোট কাটায় ব্যান্ড-এইড যথেষ্ট। বড় ক্ষতে জীবাণুমুক্ত গজ প্যাড দিয়ে ঢেকে টেপ বা রোলার ব্যান্ডেজ দিয়ে আটকান। প্রতিদিন অথবা ব্যান্ডেজ ভিজে বা নোংরা হলে বদলে দিন।
যা করবেন না
- ক্ষতে মাটি, কফির গুঁড়া, হলুদ বা চুন লাগাবেন না। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
- গভীর ক্ষতে গেঁথে থাকা বস্তু (যেমন কাঁচের টুকরা) নিজে টেনে বের করবেন না। এর চারপাশে চাপ দিয়ে দ্রুত হাসপাতালে যান।
কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন?
- ১০ মিনিট চাপ দেওয়ার পরও রক্ত বন্ধ না হলে
- রক্ত ফিনকি দিয়ে বের হলে
- ক্ষত গভীর বা চওড়া হলে (সেলাই লাগতে পারে)
- মরিচা ধরা লোহা, পশুর কামড় বা নোংরা বস্তুতে কাটলে (টিটেনাস টিকার প্রয়োজন হতে পারে)
- কয়েক দিন পর ক্ষত লাল হয়ে ফুলে গেলে, পুঁজ জমলে বা জ্বর এলে
হাতের কাছে গজ, ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিসেপটিক আর গ্লাভস থাকলে এই কাজগুলো অনেক সহজ হয়। FamilyCare Kits-এর প্রতিটি কিটে এগুলো গুছিয়ে দেওয়া আছে। এখনই দেখুন →
⚠️ এই লেখাটি সাধারণ তথ্যের জন্য, চিকিৎসকের বিকল্প নয়। জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করুন।
